আরপিজিসিএল রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

এলএনজি

দেশের জ্বালানি  চাহিদার প্রায় ৭৫% প্রাকৃতিক গ্যাসের মাধ্যমে মেটানো হয়ে থাকে। বর্তমানে দেশে উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিমান দৈনিক প্রায় ২৭৫০ এমএমসিএফ (মিলিয়ন ঘনফুট) এবং দৈনিক চাহিদা প্রায় ৩৮৫০ এমএমসিএফ(মিলিয়ন ঘনফুট)। প্রাকৃতিক গ্যাসের এ বিপুল ঘাটতি মেটানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার এলএনজি আমদানির সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। গ্যাস সেক্টর মাস্টার প্লান-২০১৭ এ দেশে গ্যাসের চাহিদা ২০৪১ সালে ৬৭১৩ এমএমসিএফডি প্রাক্কলন করা হয়েছে। এছাড়া গত ০২ জুন, ২০১৮ তারিখে পেট্রোবাংলায় মাননীয় সচিব, জালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এলএনজি সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রমের বাস্তবায়ন অগ্রগতি সভায় গ্যাস সেক্টর মাস্টারপ্লান-২০১৭ এর আলোকে ২০২৫ সাল পযর্ন্ত দেশের প্রাকৃতির গ্যাসের চাহিদা, উৎপাদন ও ঘাটতি নির্ধারন করা হয় যা নিম্নরুপঃ

প্রাকৃতিক গ্যাস (এমএমএসসিএফডি) ২০১৮ ২০১৯ ২০২০ ২০২১ ২০২৩ ২০২৫
চাহিদা ৩৮৫২ ৩৯৯৬ ৪১৬৩ ৪২১৪  ৪২৭৪ ৪৩৯৬
উৎপাদন  ২৭১২ ২৬৬৯ ২৭২২ ২৪১৪ ২৩০৬ ২০০০
ঘাটতি ১১৪০ ১৩২৭ ১৪৪১ ১৮০০ ১৯৬৮ ২৩৯৬

 

 

প্রাকৃতিক গ্যাসকে -১৬০ ডিগ্রি সে: তাপমাত্রা ও ১ বায়ুচাপে রেফ্রিজারেসন প্রক্রিয়ায় তরল করে যে গ্যাস পাওয়া যায় তাকেই এলএনজি (LNG-Liquefied Natural Gas) বা তরল প্রাকৃতিক গ্যাস বলে। এলএনজি’র প্রধান উপাদান মিথেন তবে সামান্য পরিমান ইথেন প্রপেন, বিউটেন, পেন্টেনসহ অন্যান্য হাইড্রোকার্বন মিশ্রিত থাকে। প্রাকৃতিক গ্যাস-কে এলএনজিতে রূপান্তর করলে এর আয়তন সংকুচিত হয়ে ৬০০ গুন কমে যায়। প্রাকৃতিক গ্যাস কে এলএনজিতে রূপান্তর করা হয় মূলত দূরবর্তী নৌপরিবহনের সুবিধার্থে। ইহা বর্ণহীন, গন্ধহীন, ননকরোসিভ, ননটক্সিক, নন-এক্সপ্লোসিভ পদার্থ এবং এর ঘনত্ব কমবেশী ৪৬০ কেজি/ঘনমিটার।

বাংলাদেশ সরকারের এলএনজি প্রকল্পসমূহ প্রয়োজনের নিরিখে পর্যায়ক্রমে বাস্তাবায়িত হলে বাংলাদেশ সরকারের VISION 2041 বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনে এলএনজির চাহিদা সহ শিল্প, সারকারখানা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে গ্যাস সরবরাহ সম্ভব হবে ।


Share with :

Facebook Facebook